1. ব-দ্বীপ হলো নদীর মোহনায় সৃষ্টি হওয়া বাংলা ‘ব’ আকৃতির দ্বীপ। নদী প্রবাহ সাগরে পতিত হবার সময় নদীর মোহনায় পানি স্থিতিশীলতার জন্যে বিভিন্ন পদার্থ জমে জমে কালক্রমে ব-দ্বীপ সৃষ্টি হয়। যেহেতু বাংলাদেশ নদীমাতৃক দেশ, অসংখ্য নদী-নালা ছড়িয়ে আছে এ দেশে এবং বিশেষত পদ্মা-মেঘনা-যমুনা-ব্রহ্মপুত্র নদী এদেশের মধ্যেRead more

    ব-দ্বীপ হলো নদীর মোহনায় সৃষ্টি হওয়া বাংলা ‘ব’ আকৃতির দ্বীপ। নদী প্রবাহ সাগরে পতিত হবার সময় নদীর মোহনায় পানি স্থিতিশীলতার জন্যে বিভিন্ন পদার্থ জমে জমে কালক্রমে ব-দ্বীপ সৃষ্টি হয়। যেহেতু বাংলাদেশ নদীমাতৃক দেশ, অসংখ্য নদী-নালা ছড়িয়ে আছে এ দেশে এবং বিশেষত পদ্মা-মেঘনা-যমুনা-ব্রহ্মপুত্র নদী এদেশের মধ্যে দিয়ে গেছে তাই ধারণা করা হয় কালে কালে এসব নদী মোহনায় পলি জমা হয়ে বাংলাদেশের সৃষ্টি হয়েছে। তাই বাংলাদেশেকে পৃথিবীর বৃহত্তম ব-দ্বীপ বলা হয়।

    See less
    • 0
  2. জাতীয় সমাজতন্ত্র (জার্মান: Nationalsozialismus) যা সাধারণত নাৎসিবাদ নামে পরিচিত একটি রাজনৈতিক মতবাদ, যা বিংশশতকের প্রথমার্ধে জার্মানিতে উদ্ভূত নাৎসি পার্টির সাথে সম্পর্কিত। এটাকে সাধারণত একধরনের ফ্যাসিবাদ বলে চিহ্নিত করা হয়, যার মধ্যে বৈজ্ঞানিক কৌলিবাদ (সায়েন্টিফিক রেসিজম), ইহুদিবিদ্বেষ (এন্টিসেমRead more

    জাতীয় সমাজতন্ত্র (জার্মান: Nationalsozialismus) যা সাধারণত নাৎসিবাদ নামে পরিচিত একটি রাজনৈতিক মতবাদ, যা বিংশশতকের প্রথমার্ধে জার্মানিতে উদ্ভূত নাৎসি পার্টির সাথে সম্পর্কিত।

    এটাকে সাধারণত একধরনের ফ্যাসিবাদ বলে চিহ্নিত করা হয়, যার মধ্যে বৈজ্ঞানিক কৌলিবাদ (সায়েন্টিফিক রেসিজম), ইহুদিবিদ্বেষ (এন্টিসেমিটিজম) অন্তর্ভুক্ত।

    এডলফ হিটলারকে নাৎসিবাদের প্রবক্তা হিসেবে বিবেচনা করা হয়। ১৯৩৩ থেকে ১৯৪৫ সালে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে পরাজয়ের পূর্ব পর্যন্ত এটা জার্মানির রাষ্ট্রীয় মতবাদ ছিল।

    See less
    • -3
  3. উড়োজাহাজের গতি নির্ণায়ক যন্ত্র : --ট্যাকোমিটার।

    উড়োজাহাজের গতি নির্ণায়ক যন্ত্র :
    –ট্যাকোমিটার।

    See less
    • 0
  4. রোধের সূত্র তিনটি যথাঃ১.দৈর্ঘ্যের সূত্র (Rসমানুপাতিক L) ২.ক্ষেত্রফলের সূত্র ৩.উপাদানের সূত্র।

    রোধের সূত্র তিনটি যথাঃ১.দৈর্ঘ্যের সূত্র (Rসমানুপাতিক L) ২.ক্ষেত্রফলের সূত্র ৩.উপাদানের সূত্র।

    See less
    • -1
  5. পাখি ওড়ে আকাশে। কিন্তু সেখানে বায়ু আছে কি না তা অনেকেই হয়তো ভেবে দেখেননি। কিন্তু যখন শুনবেন পাখি বায়ুশূন্য স্থানে উড়তে পারে না, তখনই ধারণা করতে পারবেন পাখি যত উপড়ে উড়তে পারে, তত দূর নিশ্চয় বায়ু আছে। এখন প্রশ্ন হলো, কেন পাখি বায়ুশূন্য স্থানে উড়তে পারে না? এবার হয়তো বলবেন এটা তো কখনো ভেবে দেখিনি। এটাRead more

    পাখি ওড়ে আকাশে। কিন্তু সেখানে বায়ু আছে কি না তা অনেকেই হয়তো ভেবে দেখেননি। কিন্তু যখন শুনবেন পাখি বায়ুশূন্য স্থানে উড়তে পারে না, তখনই ধারণা করতে পারবেন পাখি যত উপড়ে উড়তে পারে, তত দূর নিশ্চয় বায়ু আছে। এখন প্রশ্ন হলো, কেন পাখি বায়ুশূন্য স্থানে উড়তে পারে না? এবার হয়তো বলবেন এটা তো কখনো ভেবে দেখিনি। এটা বোঝার জন্য আগে আপনাকে জানতে হবে পাখি ওড়ে কিভাবে? নিউটনের তৃতীয় সূত্রের কথা মনে আছে নিশ্চয়, প্রতিটি ক্রিয়ারই একটি সমান ও বিপরীতমুখী প্রতিক্রিয়া আছে। নিউটনের সূত্রটি কাজে লাগায় পাখিরা। পাখিরা ওড়ার সময় ডানা দিয়ে বাতাসে নিচের দিকে বল প্রয়োগ করে। তখন বাতাসও নিউটনের সূত্রানুযায়ী ওপরের দিকে বল প্রয়োগ করে। ফলে পাখিরা খুব সহজেই বায়ুতে ভাসতে পারে এবং উড়তে পারে। নিশ্চয় বুঝতে পেরেছেন, পাখিরা কিভাবে বায়ুর ওপর ডানায় ভর প্রয়োগ করে ওড়ে। আর তাই বায়ুশূন্য স্থানে পাখিরা উড়তে পারে না। ঠিক একই রকম বিমান বা হেলিকপ্টারও বায়ুশূন্য স্থানে উড়তে পারবে না। কারণ বিমান ও হেলিকপ্টারও একইভাবে বায়ুর ওপর ঘূর্ণায়মান পাখায় ভর প্রয়োগ করে বাতাসে ভেসে থাকে এবং চলাচল করে। কিন্তু রকেটের ক্ষেত্রে আবার ভিন্ন। কারণ রকেট চলে তার পেছনের একটি চেম্বারে জ্বালানি বিস্ফোরণে সৃষ্ট চাপ বা ধাক্কায়। তাই বিমান বা হেলিকপ্টার পৃথিবীর বায়ুমণ্ডল থেকে বের হতে পারে না। কিন্তু রকেট অন্য সৌরজগৎ থেকেও ঘুরে আসতে পারে।

    See less
    • 0
  6. OF6 গঠন করতে হলে অক্সিজেনের বহিস্থ কক্ষপথের 6 টা ইলেকট্রন F কে দান বা শেয়ার করতে হবে। কিন্তু এ জন্য প্রচুর আভ্যন্তরীণ শক্তির প্রয়োজন যা এরা জোগান দিতে পারে না। তাই OF6 সম্ভব নয়।

    OF6 গঠন করতে হলে অক্সিজেনের বহিস্থ কক্ষপথের 6 টা ইলেকট্রন F কে দান বা শেয়ার করতে হবে। কিন্তু এ জন্য প্রচুর আভ্যন্তরীণ শক্তির প্রয়োজন যা এরা জোগান দিতে পারে না। তাই OF6 সম্ভব নয়।

    See less
    • 0
  7. রাষ্ট্রবিজ্ঞান এর ভাষায়, ভৌগলিক দিক দিয়ে ছোট, অর্থনৈতিকভাবে অনুন্নত, সামরিক শক্তিতে দুর্বল, প্রতিরক্ষা ব্যাবস্থা দুর্বল  রাষ্ট্রকে ক্ষুদ্র রাষ্ট্র বলে।

    রাষ্ট্রবিজ্ঞান এর ভাষায়, ভৌগলিক দিক দিয়ে ছোট, অর্থনৈতিকভাবে অনুন্নত, সামরিক শক্তিতে দুর্বল, প্রতিরক্ষা ব্যাবস্থা দুর্বল  রাষ্ট্রকে ক্ষুদ্র রাষ্ট্র বলে।

    See less
    • 1
  8. ICMAB এর পূর্ণরূপ হলঃ Institute of Cost and Management Accountants of Bangladesh.

    ICMAB এর পূর্ণরূপ হলঃ

    Institute of Cost and Management Accountants of Bangladesh.

    See less
    • 0
  9. যখন জৈব তত্ত্ব নিয়ে কম্পিউটারের মাধ্যমে গবেষণা করা হয় তখন তাকে ড্রাইল্যাব বলে।

    যখন জৈব তত্ত্ব নিয়ে কম্পিউটারের মাধ্যমে গবেষণা করা হয় তখন তাকে ড্রাইল্যাব বলে।

    See less
    • 0
  10. BARI এর পূর্ণ রূপ - Bangladesh Agricultural Research Institute

    BARI এর পূর্ণ রূপ –

    • Bangladesh Agricultural Research Institute
    See less
    • 0