1. গাড়ির নাম্বার প্লেট ও প্লেটের বর্ণমালার অর্থ খুবই সাধারণ। যেমন, ‘ঢাকা মেট্রো য-১১২৫৯৯। এখানে, ‘ঢাকা মেট্রো’ দ্বারা বোঝানো হয়েছে গাড়িটি ঢাকা মেট্রোপলিটন এলাকার আওতাধীন। ‘য’ হচ্ছে শুধুমাত্র প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের গাড়ির চিহ্নকারী বর্ণ। অর্থাৎ প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের আওতাধীন সব গাড়ি ‘য’ বর্ণ দ্বারাRead more

    গাড়ির নাম্বার প্লেট ও প্লেটের বর্ণমালার অর্থ খুবই সাধারণ।

    যেমন, ‘ঢাকা মেট্রো য-১১২৫৯৯। এখানে, ‘ঢাকা মেট্রো’ দ্বারা বোঝানো হয়েছে গাড়িটি ঢাকা মেট্রোপলিটন এলাকার আওতাধীন। ‘য’ হচ্ছে শুধুমাত্র প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের গাড়ির চিহ্নকারী বর্ণ। অর্থাৎ প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের আওতাধীন সব গাড়ি ‘য’ বর্ণ দ্বারা চিহ্নিত করা হবে। পরবর্তী ‘১১’ হচ্ছে গাড়িটির রেজিস্ট্রেশন নাম্বার এবং ‘২৫৯৯’ হচ্ছে গাড়ির সিরিয়াল নাম্বার।

    সাধারণত বাংলা বর্নমালার ‘অ, ই, উ, এ, ক, খ, গ, ঘ, ঙ, চ, ছ, জ, ঝ, ত, থ, ঢ, ড, ট, ঠ, দ, ধ, ন, প, ফ, ব, ভ, ম, য, র, ল, শ, স, হ অক্ষরগুলো ব্যবহার করা হয়। উপরের প্রতিটি বর্ণ আলাদা আলাদা গাড়ির পরিচয় বহন করে।

    চলুন জেনে নিই এগুলো দ্বারা কী বুঝায়ঃ–

    ক – ৮০০ সিসি প্রাইভেটকার
    খ – ১০০০-১৩০০ সিসি প্রাইভেটকার
    গ – ১৫০০-১৮০০ সিসি প্রাইভেটকার
    ঘ – জীপগাড়ি
    চ – মাইক্রোবাস
    ছ – মাইক্রোবাস / লেগুনা (ভাড়ায় চালিত)
    জ – বাস (মিনি)
    ঝ – বাস (কোস্টার)
    ট – ট্রাক (বড়)
    ঠ – ডাবল কেবিন পিকআপ
    ড – ট্রাক (মাঝারী)
    ন – পিকআপ (ছোট)
    প – ট্যাক্যি ক্যাব
    ভ – ২০০০+ সিসি প্রাইভেটকার
    ম – পিকআপ (ডেলিভারী)
    দ – সি এন জি (প্রাইভেট)
    থ – সি এন জি (ভাড়ায় চালিত)
    হ – ৮০-১২৫ সিসি মোটরবাইক
    ল – ১৩৫-২০০ সিসি মোটরবাইক
    ই – ট্রাক (ভটভটি)

    উত্তরটি ভাল লাগবে অবশ্যই লাইক দিবেন।
    ধন্যবাদ।

    See less
    • 0
  2. This answer was edited.

    যে স্পেসিফিকেশন হতে সার্কিট ব্রেকারের গুণগত, মানগত, কার্জগত বিভিন্ন দিক জানা তাকে সার্কিট ব্রেকারের রেটিং বলে। সার্কিট ব্রেকারের রেটিংগুলো তিন ধরনের হয়ে থাকে- ১) ব্রেকিং ক্যাপাসিটি ২) মেকিং ক্যাপাসিটি ৩) শর্ট টাইম ক্যাপাসিটি

    যে স্পেসিফিকেশন হতে সার্কিট ব্রেকারের গুণগত, মানগত, কার্জগত বিভিন্ন দিক জানা তাকে সার্কিট ব্রেকারের রেটিং বলে।

    সার্কিট ব্রেকারের রেটিংগুলো তিন ধরনের হয়ে থাকে-

    ১) ব্রেকিং ক্যাপাসিটি

    ২) মেকিং ক্যাপাসিটি

    ৩) শর্ট টাইম ক্যাপাসিটি

    See less
    • 0
  3. সুইসগিয়ার বলতে সাধারণত ইলেকট্রিক্যাল সিস্টেমে সুইসিং ব্যবস্থা, নিয়ন্ত্রণ, প্রটেকশন, পরিমাপ ও সিস্টেমে ভারসাম্য রক্ষাকারী সরঞ্জাম এবং ঐ সব সরঞ্জাম স্থাপনের কাঠামো, কক্ষ ও ওয়ারিং এর সমষ্টিকে বুঝায়।

    সুইসগিয়ার বলতে সাধারণত ইলেকট্রিক্যাল সিস্টেমে সুইসিং ব্যবস্থা, নিয়ন্ত্রণ, প্রটেকশন, পরিমাপ ও সিস্টেমে ভারসাম্য রক্ষাকারী সরঞ্জাম এবং ঐ সব সরঞ্জাম স্থাপনের কাঠামো, কক্ষ ও ওয়ারিং এর সমষ্টিকে বুঝায়।

    See less
    • 0
  4. সিস্টেমে যে ফল্টের কারণে থ্রি-ফেজ সিস্টেমে প্রতিটি ফেজে সমান ফল্ট কারেন্ট প্রবাহিত হয়, এ রকম ফল্টকে সিমেট্রিক্যাল ফল্ট বলে।

    সিস্টেমে যে ফল্টের কারণে থ্রি-ফেজ সিস্টেমে
    প্রতিটি ফেজে সমান ফল্ট কারেন্ট প্রবাহিত হয়, এ রকম ফল্টকে সিমেট্রিক্যাল ফল্ট বলে।

    See less
    • 0
  5. উৎপাদন কেন্দ্রের প্রেরণ প্রান্ত থেকে রিসিভিং প্রান্ত পর্যন্ত দীর্ঘ অতি উচ্চ ভোল্টেজ লাইনকে প্রাইমারি ট্রান্সমিশন (লাইন) বলা হয়। প্রাইমারি ট্রান্সমিশন ভোল্টেজ 110KV, 132KV, 230KV, 400KV পর্যন্ত বা আরও বেশি হতে পারে।

    উৎপাদন কেন্দ্রের প্রেরণ প্রান্ত থেকে রিসিভিং প্রান্ত পর্যন্ত দীর্ঘ অতি উচ্চ ভোল্টেজ লাইনকে প্রাইমারি ট্রান্সমিশন (লাইন) বলা হয়। প্রাইমারি ট্রান্সমিশন ভোল্টেজ 110KV, 132KV, 230KV, 400KV পর্যন্ত বা আরও বেশি হতে পারে।

    See less
    • 0
  6. প্যারালেল অপারেশনে কোন অল্টারনেটরের ইনপুট কোন কারণে বন্ধ হলে বা অন্য কোন ত্রুটিতে ঐ অলটারনেটর যদি বাসবার হতে পাওয়ার নেয় অর্থাৎ উল্টাদিক হতে পাওয়ার নিয়ে অল্টারনেটরটি মোটর হিসাবে কাজ করে তখন যে রিলের মাধ্যমে প্রটেকশন দেয়া হয় তার নাম রিভার্স পাওয়ার রীলে। এ রকম অবস্থায় রিভার্স পাওয়ার রীলে এনারজাইজড হয় এRead more

    প্যারালেল অপারেশনে কোন অল্টারনেটরের ইনপুট কোন কারণে বন্ধ হলে বা অন্য কোন ত্রুটিতে ঐ অলটারনেটর যদি বাসবার হতে পাওয়ার নেয় অর্থাৎ উল্টাদিক হতে পাওয়ার নিয়ে অল্টারনেটরটি মোটর হিসাবে কাজ করে তখন যে রিলের মাধ্যমে প্রটেকশন দেয়া হয় তার নাম রিভার্স পাওয়ার রীলে। এ রকম অবস্থায় রিভার্স পাওয়ার রীলে এনারজাইজড হয় এবং ঐ অল্টারনেটরের সার্কিট ব্রেকার ট্রিপ করে সিস্টেমকে রক্ষা করে।

    See less
    • 2
  7. বিদ্যুৎ এর উৎস, পরিবাহী, নিয়ন্ত্রন যন্ত্র, ব্যবহারযন্ত্র, রক্ষণযন্ত্র সমন্বয়ে এমন একটি পথ যার মধ্য দিয়ে কারেন্ট প্রবাহিত হতে পারে তাকে সার্কিট বা বর্তনী বলে। সার্কিটের উপাদান সমুহের সংযোগের ভিত্তিতে সার্কিট তিন প্রকার। যথাঃ (i) সিরিজ সার্কিট (Series Ckt) (ii) প্যারালাল সার্কিট (Parallel Ckt) (iii) মRead more

    বিদ্যুৎ এর উৎস, পরিবাহী, নিয়ন্ত্রন যন্ত্র, ব্যবহারযন্ত্র, রক্ষণযন্ত্র সমন্বয়ে এমন একটি পথ যার মধ্য দিয়ে কারেন্ট প্রবাহিত হতে পারে তাকে সার্কিট বা বর্তনী বলে।

    সার্কিটের উপাদান সমুহের সংযোগের ভিত্তিতে সার্কিট তিন প্রকার। যথাঃ

    (i) সিরিজ সার্কিট (Series Ckt)
    (ii) প্যারালাল সার্কিট (Parallel Ckt)
    (iii) মিশ্র সার্কিট (Mixed Ckt)

    See less
    • 0
  8. গড়, আপাত এবং সক্রিয় পাওয়ারের সাথে সংযুক্ত সমীকরণগুলো একটি সমকোণী ত্রিভুজের সাহায্যে জ্যামিতিক ভাবে প্রকাশ করা যায়। এই ত্রিভুজকে পাওয়ার ত্রিভুজ বলে।

    গড়, আপাত এবং সক্রিয় পাওয়ারের সাথে সংযুক্ত সমীকরণগুলো একটি সমকোণী ত্রিভুজের সাহায্যে জ্যামিতিক ভাবে প্রকাশ করা যায়। এই ত্রিভুজকে পাওয়ার ত্রিভুজ বলে।

    See less
    • 0
  9. শর্ট সার্কিট কারেন্ট সরবোচ্চ যে মানে পৌছার পূর্বে ফিউজ তার গলে যায়, তাকে ঐ ফিউজের কাট অফ কারেন্ট বলে।

    শর্ট সার্কিট কারেন্ট সরবোচ্চ যে মানে পৌছার পূর্বে
    ফিউজ তার গলে যায়, তাকে ঐ ফিউজের কাট অফ কারেন্ট বলে।

    See less
    • 0
  10. ডিফারেনশিয়াল রীলে এমন এক ধরনের ডিভাইস, যা দুই বা ততোধিক ইলেকট্রিক্যাল মান বা দিকের ভেক্টর পার্থক্য, যখন একটি আগে থেকেই নির্ধারিত মানের চেয়ে বেশি বা কম হয় তখন এই রীলে কাজ করে সিস্টেমকে বা ইলেকট্রিক্যাল যন্ত্রকে রক্ষা করে।

    ডিফারেনশিয়াল রীলে এমন এক ধরনের ডিভাইস, যা দুই বা ততোধিক ইলেকট্রিক্যাল মান বা দিকের ভেক্টর পার্থক্য, যখন একটি আগে থেকেই নির্ধারিত মানের চেয়ে বেশি বা কম হয় তখন এই রীলে কাজ করে সিস্টেমকে বা ইলেকট্রিক্যাল যন্ত্রকে রক্ষা করে।

    See less
    • 0
  11. নতুন দের বিশেস সেনসেশন টরোয়েড ট্রান্সফর্মার, এই টরোয়েড বা টরয়েড ট্রান্সফর্মার (Toroid Transformer) মূলত একই নীতিতে(সাধারণ ট্রান্সফর্মার) কাজ করে থাকে। এর প্রকৃত নাম টরোয়ডাল বা টরওয়ডাল ট্রান্সফর্মার। এর গোল বা রিং আকৃতির জন্য এই নাম দেয়া হয়েছে। ইংরেজি টরাস (Torus) শব্দের অর্থ গোলাকার রিং বিশেষ। আর এইRead more

    নতুন দের বিশেস সেনসেশন টরোয়েড ট্রান্সফর্মার, এই টরোয়েড বা টরয়েড ট্রান্সফর্মার (Toroid Transformer) মূলত একই নীতিতে(সাধারণ ট্রান্সফর্মার) কাজ করে থাকে। এর প্রকৃত নাম টরোয়ডাল বা টরওয়ডাল ট্রান্সফর্মার। এর গোল বা রিং আকৃতির জন্য এই নাম দেয়া হয়েছে। ইংরেজি টরাস (Torus) শব্দের অর্থ গোলাকার রিং বিশেষ। আর এই টরাস শব্দটি থকেই টরোয়েড শব্দটি এসেছে।

    See less
    • 0