1. একটি ই-কমার্স সাইট দাঁড় করাতে কী কী প্রয়োজন অথবা ই কমার্স বিজনেস শুরু করতে সর্বনিম্ন কত টাকা প্রয়োজন? এটি নতুন বিজনেস শুরু করতে যাওয়া প্রত্যেক উদ্যোক্তার আগ্রহের বিষয়। অনেক ব্যবসায়ীরা মনে করেন, অনলাইন বিজনেসে প্রোডাক্ট ছাড়া আর কোন খরচ প্রয়োজন নেই।সত্যি বলতে এই রকম গড়পড়তা ই-কমার্স বিজনেসের কোন ভবিষ্Read more

    একটি ই-কমার্স সাইট দাঁড় করাতে কী কী প্রয়োজন অথবা ই কমার্স বিজনেস শুরু করতে সর্বনিম্ন কত টাকা প্রয়োজন? এটি নতুন বিজনেস শুরু করতে যাওয়া প্রত্যেক উদ্যোক্তার আগ্রহের বিষয়।

    অনেক ব্যবসায়ীরা মনে করেন, অনলাইন বিজনেসে প্রোডাক্ট ছাড়া আর কোন খরচ প্রয়োজন নেই।সত্যি বলতে এই রকম গড়পড়তা ই-কমার্স বিজনেসের কোন ভবিষ্যৎ নেই।

    একটি প্রফেশনাল ইকমার্স বিজনেস শুরুর জন্য প্রাথমিকভাবে কোন খরচগুলো আপনাকে করতে হবে ? কীভাবে আপনি সর্বনিম্ন খরচ করে প্রতিষ্ঠিত ব্র্যান্ড হিসেবে অনলাইন বিজনেস পরিচালনা করতে পারবেন?

    চলুন বিস্তারিত জানি প্রয়োজনীয় বিষয়গুলো সম্পর্কে।

    ই-কমার্স বিজনেসে প্রাথমিকভাবে যে ৬ টি খরচ আপনাকে করতে হয়।

    ডোমেন নাম
    হোস্টিং
    ই-কমার্স ওয়েবসাইট
    অনলাইন পেমেন্ট সুবিধা
    প্রোডাক্ট ফটোগ্রাফি
    ডিজিটাল মার্কেটিং
    উপরে উল্লিখিত বিষয়গুলোর খরচ কত, সুবিধা কি এবং কীভাবে সেটি আপনার বিজনেসের জন্য পেতে পারেন সেই বিষয়ে বিস্তারিত জানতে ফুটনোটে দেয়া লিংক ভিজিট করুন।

    ইকমার্স ওয়েবসাইটঃ ২৫ হাজার থেকে ২ লক্ষ টাকা

    ইকমার্স বিজনেসের গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হচ্ছে মানসম্মত ই কমার্স ওয়েবসাইট।সহজে ব্যবহার যোগ্য লাইট ওয়েট ই-কমার্স ওয়েবসাইট কাস্টমার পছন্দ করে। সহজে নেভিগেশন করা যায় এমন ইকমার্স ওয়েবসাইট ই-কমার্স সেল বৃদ্ধি করতে কার্যকরী ভুমিকা রাখে। আপনার প্রোডাক্ট সম্পর্কে কাস্টমারদের সুস্পষ্ট ও বিস্তারিত তথ্য প্রদান, সহজে পছন্দসই প্রোডাক্টটি খুঁজে পেতে সহায়তা, অর্ডার প্রক্রিয়া সহজ হলে ই কমার্স ওয়েবসাইট থেকে বেচাকেনার পরিমাণ বেড়ে যায়।

    ই কমার্স বিজনেসে প্রতিযোগিতা অনেক বেশি থাকে বিধায় একজন কাস্টমার আপনার ওয়েবসাইটটি ব্যবহার করতে সমস্যা বোধ করলে দ্রুত অন্য শপে চলে যেতে পারে। তাই ই-কমার্স ওয়েবসাইটটি যতটা রিস্পন্সিভ এবং ইউজার ফ্রেন্ডলি হবে তত ভাল।

    প্রতিটি বিজনেসেই ষ্টকের হিসেব থাকা আবশ্যক আর বিশেষ করে অনলাইন বিজনেসে সেটি অপরিহার্য। একটি মানসম্মত ই-কমার্স ওয়েবসাইট এই সুবিধা দেয়। সাথে অর্ডার ম্যানেজমেন্ট ও কাস্টমার ম্যানেজমেন্ট থাকা প্রয়োজন। আপনি যদি সস্তা কোন ই-কমার্স সাইটের কথা চিন্তা করেন তবে এই অত্যন্ত প্রয়োজনীয় ফিচারগুলো থেকে আপনি বঞ্ছিত হবেন।

    মানসম্মত ই-কমার্স ওয়েবসাইটগুলো অটো প্রোডাক্ট জুম, প্রোডাক্টের শর্ট ডেসক্রিপ্সন সুবিধা প্রদান করে যা দামে সস্তা ওয়েবসাইটগুলোতে পাবেন না।
    চেকআউট করার সময় কাস্টমার অতিরিক্ত তথ্য দেবার জটিলতায় শেষ পর্যন্ত চেকআউট প্রসেস শেষ না করেই ওয়েবসাইট থেকে বের হয়ে যায়। গেস্ট চেকআউট অপশন থাকলে এই অসুবিধা দূর করা সম্ভব।যেখানে প্রয়োজনীয় কিছু তথ্য দিয়েই কাস্টমার কেনাকাটা সম্পন্ন করতে পারেন।

    See less
    • 0
  2. ইভ‍্যালি বাংলাদেশের একটি ই-কমার্স সাইট যা প্রতিমাসে প্রায় ১৫ থেকে ২০ কোটি বার ভিজিট করা হয় এবং ২০২০ সালে এসে এর সচল সদস্য সংখ্যা প্রায় ৫০ লক্ষ‍্যের বেশি এবং তাদেরকে প্রতি দিন হাজার হাজার টাকার প্রোডাক্ট ভেলিভারি করতে হয়। এবার আসি মূল প্রসঙ্গে, ইভ‍্যালি কিভাবে একটি বাইক ৯০ ভাগ ডিস্কাউটে দেয়? উওরRead more

    ইভ‍্যালি বাংলাদেশের একটি ই-কমার্স সাইট যা প্রতিমাসে প্রায় ১৫ থেকে ২০ কোটি বার ভিজিট করা হয় এবং ২০২০ সালে এসে এর সচল সদস্য সংখ্যা প্রায় ৫০ লক্ষ‍্যের বেশি এবং তাদেরকে প্রতি দিন হাজার হাজার টাকার প্রোডাক্ট ভেলিভারি করতে হয়।

    এবার আসি মূল প্রসঙ্গে, ইভ‍্যালি কিভাবে একটি বাইক ৯০ ভাগ ডিস্কাউটে দেয়?

    উওর: ধরুন আপনি একটি বাইক কিনতে চাচ্ছেন কিন্তু মোটামোটি ভালো দামে একটি ভালো বাইক হলেই আপনার চলবে এবং আপনার বাজেট ১,৫০,০০০ টাকা। এখন আপনি দেখলেন ইভ‍্যালিতে ঠিক একই দামে আপনি একটি বাইক পাবেন যে বাইকের বাজার মূল্য প্রায় ৫,০০,০০০ টাকা। তখন আপনি ইভ‍্যালিতে আপনার বাইকটি অর্ডার করলেন এবং কিছু দিন পর ডিসকাউন্টে বাইকটি আপনি পেয়েও গেলেন। তবে ইভ‍্যালি এটা কিভাবে করে? আমি যদি বলি আপনি পুরো ৫,০০,০০০ টাকা দিয়েই বাইকটি কিনেছিলেন তাহলে আপনি নিশ্চয়ই চমকে উঠবেন না। এখন আপনি আমাকে প্রশ্ন করেন কিন্তু আমি তো মাত্র ১,৫০,০০০ টাকা দিয়েই বাইকটি কিনছি কিন্তু বাকি টাকা তো আমি দেই নাই তাহলে সেটা কিভাবে সম্ভব হইলো? এই যে আপনি যে বাইকটি ইভ‍্যালি থেকে কিনলেন এবং সেই বাইক নিয়ে যখন আপনার বন্ধুদের সাথে আড্ডা দিতে যাবেন তখন তাঁরা জিজ্ঞেস করবে কিরে তুই বাইক কিনবি কইলি ১,৫০,০০০ টাকা দামের কিন্তু এখন ৫,০০,০০০ টাকা দামের বাইক নিয়া আইলি কেমনে মামা? তখন আপনি বলবেন ইভ‍্যালি থেকে কিনছি তখন আপনার বন্ধুদের কেউ না কেউ ঠিক একই বাইক ইভ‍্যালি থেকে কিনবে ২,০০,০০০ টাকা দিয়ে কারণ আপনার সময়ে যে ডিসকাউন্ট ছিল সেটা তো ছিলো সাময়িক তাই কিছু মাস পর পর একই রকম ডিসকাউন্ট ইভ‍্যালিতে পাওয়া যায় না।

    এখন একটু হিসাবটা করে দেখুন আপনি দিয়েছিলেন ১,৫০,০০০ আর আপনার বন্ধু দিয়েছে ২,০০,০০০ টাকা ঠিক একই বাইকের জন্য। তাহলে আপনার বিজ্ঞাপনের জন্য ইভ‍্যালি আপনার পকেট থেকেই আপনার অজান্তেই আরো ৫০,০০০ টাকা আগেই রেখে দিয়েছে কিন্তু সেটা আপনি টেরও পান নি। ঠিক এভাবেই ইভ‍্যালি আপনার কাছে থেকে ৫,০০,০০০ টাকা উসুল করে নিবে কিন্তু আপনি সেটা জানতে ও পারবেন না।

    এখন প্রশ্ন এতো এতো ডিসকাউন্ট দিয়ে ইভ‍্যালি তাদের ব‍্যবসায় প্রোফিট করে কিভাবে?

    উত্তর: খুবই সহজ। ইভ‍্যালি কি সব গুলো বাইক নিজের টাকা দিয়ে কিনে আনে? জ্বি না। এতো বোকা ইভ‍্যালি নয়। ধরুন ইভ‍্যালি ৫,০০,০০০ টাকা দামের মোট ১০ টা বাইক ভোক্তাদের ডিসকাউন্টে দিবে এবং সেই বাইক গুলো নেওয়ার জন্য প্রায় লক্ষাধিক অর্ডার আসে সেই ট্রাফিক গুলো তারা বিভিন্ন বাইক নির্মাতা কোম্পানির কাছে বিক্রি করে দিয়েও তারা টাকা উপার্জন করতে পারে যা ফেসবুক এবং গুগল প্রায়সই করে। তবে সেটা খুবই গোপন বিষয় যা কোরার মতো প্লাটফর্মে বলা ঠিক হবে কিনা আমি জানিনা না তাও বলে দিলাম।

    আর আপনার কি মনে হয় এই কাজগুলো তাঁরা এমনিতেই করছে? না, না তারা বাংলাদেশের বাজার ধরে বিদেশি বিনিয়োগ নিয়ে ভবিষ্যৎ আমাজন হওয়ার চেষ্টায় রয়েছে যারা কিনা পুরো পৃথিবীতে অর্ডার সরবরাহ করবে এবং আমাজনের মতো ওয়ার্ল্ড ওয়াইড বিজনেস করতে চাচ্ছে। যদিও এটি বাংলাদেশের জন্য খুবই গর্বের বিষয়। তাই দেখা যাক সুদূর ভবিষ্যতে কি হয়।

    আশা করি বুঝতে পেরেছেন। ধন্যবাদ।

    See less
    • 0
  3. ঘুমের মধ্যে এমন ঝাকুনিকে "হিপনিক জার্কস " বলে। জেগে থাকা অবস্থা থেকে হঠাৎ ঘুমাতে যাওয়ার মধ্যে এই " হিপনিক জার্কস " ঘটে। এই সময় মানুষ পুরোপুরি ঘুমের মধ্যে থাকে না। বরং বলা যায়, সে তন্দ্রাচ্ছন্ন থাকে। চিকিৎসার ভাষায় যাকে বলে Hypnagogic stage। বিজ্ঞানীরা এখন পর্যন্ত এর সঠিক কারণ এখনো বের করতে পারেননি,Read more

    ঘুমের মধ্যে এমন ঝাকুনিকে “হিপনিক জার্কস ” বলে। জেগে থাকা অবস্থা থেকে হঠাৎ ঘুমাতে যাওয়ার মধ্যে এই ” হিপনিক জার্কস ” ঘটে। এই সময় মানুষ পুরোপুরি ঘুমের মধ্যে থাকে না। বরং বলা যায়, সে তন্দ্রাচ্ছন্ন থাকে। চিকিৎসার ভাষায় যাকে বলে Hypnagogic stage।
    বিজ্ঞানীরা এখন পর্যন্ত এর সঠিক কারণ এখনো বের করতে পারেননি, তবে চেষ্টা চালাচ্ছেন এর সঠিক কারণ বের করার জন্য।
    তবে কিছু বিজ্ঞানীরা বলেন, এটি এক ধরনের রিফ্লেক্স। এটি ঘুমানোর প্রথম স্টেজ এ হয়, যখন মানুষ তন্দ্রাচ্ছন্ন থাকে। এই অবস্থাতেই সপ্ন দেখা শুরু হয়। এমন পরিস্থিতিতে জাগরণ ও সপ্নের সীমানাকে অনেক সময়ই মস্তিষ্ক বুঝে উঠতে পারে না। আসলে শরীরে তন্দ্রাচ্ছন্ন ভাব নেমে এলে মাসল ও পেশিগুলো আস্তে আস্তে অবশ হতে থাকে এবং রক্তচাপও কমে যায় । কিন্তু মস্তিষ্ক পেশির এই অবস্থান বুঝে উঠতে না পেরে এই অবশ হওয়ার প্রক্রিয়া আটকানোর চেষ্টা করে,ফলে শরীরে ঝাকুনি হয়।
    It’s Brain misinterpretation of Muscle Relaxation which creates Illusion of Falling
    ডাক্তাররা বলেছেন, অনেক সময় বেশিমাত্রায় স্ট্রেস হলে এ ধরনের ঘটনা ঘটতে পারে। দূর্বলতার কারণে,অনেক বেশি খাটাখাটনি করলে বা ঘুম কম হলে এমনটা ঘটে বেশি। তবে এ নিয়ে দুশ্চিন্তার কোন কারন নেই। চিকিৎসার ও দরকার নেই।কারণ এটি একটি ফিজিওলজিক্যাল ফেনোমেনন।যাতে ভালো ঘুম হয় সেদিকে খেয়াল রাখলেই হবে।
    পৃথিবীর ৭০ শতাংশ মানুষের সাথে এটা ঘটে থাকে এবং ১০% মানুষ এর সাথে প্রতিদিন এটা ঘটে থাকে।
    তবে যদি বারবার হওয়ার কারনে ঘুমের ব্যাঘাত ঘটে বা ইনসোমনিয়া (Insomnia) হয় তাহলে নিউরোলজিস্ট কে দেখিয়ে নিতে পারেন।

    See less
    • 3